ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি ও উপকারিতা সম্পর্কে জানুন
অনেকে জানতে চায় যে ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি? ডায়াবেটিস রোগীরা ডিম খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাবে এটা তারা মনে করে থাকে কিন্তু ডিম খাওয়ার উপকারিতা আছে। চলুন, ডায়াবেটিস রোগীরা ডিম খেতে পারবে কিনা সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ডিম প্রোটিন যোগাবে যা একজন ডায়াবেটিস রোগীর প্রোটিনের চাহিদা থাকে সেটা পূরণ করার জন্য ডিম খাওয়া যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। তাই ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি? এ সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
পোস্টসূচিপত্রঃডায়াবেটিসে ডিম খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন
ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি
যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা বিভিন্ন খাদ্য খাওয়ার আগে চিন্তাভাবনা করেন তাই ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি? সম্পর্কে অনেকেই হয়তো জানেন না। চলুন, ডায়াবেটিসের রোগীদের ডিম খেলে কি সমস্যা হবে বা উপকার হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
সাধারণত অনেকে ডিম খেতে পছন্দ করে থাকে, যাদের ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ রয়েছে তারা ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ভয় পেয়ে থাকে। কারণ শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পাবে, এজন্য তারা ডিম খেতে চায় না কিন্তু এই ধারণাটা আসলে একদমই ভুল। কেননা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়া যাবে।
প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের জন্য ভালো। সেই সাথে ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকবে, এতে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করবে। এই ডিমকে শক্তির উৎস হিসাবে বিবেচনা করেছে। এর মধ্যে ভিটামিন-এ, বি, ডি রয়েছে। আর ডিমের কুসুম এর মধ্যে বায়োটিন রয়েছে, যা চুল, ত্বক এবং নখ সুন্দর করবে।
তাছাড়া ডিমের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ওমেগা-৩ রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে থাকে। ডিম রান্না, ভাজা, সিদ্ধ বিভিন্নভাবে খাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে ভিটামিন ডি এর উৎস আছে, যা শরীরের হাড় গঠন করতে সাহায্য করে।
এর মধ্যে ফসফরাস থাকে যা আপনার হাড় ও দাঁতের সুরক্ষায় ভালো কাজ করে থাকে। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, লিউটেন, থাকে যা স্বাস্থ্যর জন্য ভালো উপকার করে থাকে।
তবে কুসুম এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে যা খেলে ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের জন্য ঝুঁকি হতে পারে। সেজন্য এর সাদা অংশ খেতে পারেন, এতে কোন সমস্যা নাই। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ডিম কিভাবে উপকার করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
ডায়াবেটিস রোগীরা অল্প পরিমাণ খাওয়া যেতে পারে, এতে কোন ক্ষতি হবে না। গবেষণায় দেখা গেছে ডিমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীরা ডিম যদি খায় সে ক্ষেত্রে শর্করা অনেকটাই কমে যাবে।
এছাড়াও ডিম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকার। যেমন; এর মধ্যে ভিটামিন-এ, বি-৬, ১২ এবং সেলেনিয়াম থাকে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।
এর মধ্যে লুটেইন নামের পুষ্টিকর উপাদান আছে, যা চোখের ক্ষেত্রে ভালো থাকে। তাই সে হিসেবে ডিম খাওয়া যেতে পারে। কারণ ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণত চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
একজন ডায়াবেটিস রোগীর শরীর দুর্বল লাগে এই সমস্যার সমাধান করার জন্য আপনি ডিম খেতে পারেন। কেননা এর মধ্যে থাকে প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লামিন এবং ভিটামিন বি-৬, বি-১২, যা শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।
একজন ডায়াবেটিস রোগী সপ্তাহে ৩বার ডিম খেতে পারবেন। তাছাড়া ডিমের সাদা অংশ প্রতিদিন খাওয়া যাবে, এতে উপকার হবে। এর সাথে ডিম খাওয়ার পদ্ধতি গুলো আপনার জানা প্রয়োজন। রান্নার তেল বা মাখনে ডিম সিদ্ধ করে খেলে ক্ষতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সিদ্ধ ডিম খেলে অনেক উপকার কিন্তু যদি ডায়াবেটিসের সাথে কোলেস্টেরল বেশি হয়, এ ক্ষেত্রে দিনে ১টি মাত্র ডিম খাওয়া যাবে।
পুষ্টিবিদদের মতে ডিমের মতো উপকারী অন্যান্য জিনিসের মধ্যে নাও থাকতে পারে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের রোগের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করবে। কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মত যাদের সমস্যা আছে। তারা ডিম না খাওয়াই ভালো কিন্তু ডায়াবেটিস যদি থাকে সে ক্ষেত্রে ডিম খাওয়া খেতে পারবে।
যাদের শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তারা সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যারা ব্যায়াম করেন তারা সিদ্ধ ডিম খাবেন, তাহলে ডায়াবেটিস কম থাকবে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য ডিমের উপর ভরসা রাখতে পারেন। চিকিৎসকদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সিদ্ধ ডিম ভালো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে ডিম খাওয়ার আগে ১০ ঘণ্টার মত কাঁচা ডিম ভিনেগার দিয়ে রেখে দিবেন। পরে সেই ডিম খেতে পারেন। এতে অনেক উপকার পাবেন। আপনার শরীরে ইনসুলিন এর সঠিক মাত্রা রাখার জন্য দারুচিনি খেতে পারেন, এতে দারুন কাজ করে থাকে।
ডায়াবেটিস রোগী কয়টি ডিম খেতে পারবে
ডায়াবেটিস রোগীরা প্রত্যেক খাবারের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে খেতে হয়। তাই তারা কয়টি ডিম খাবে এ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাই ডায়াবেটিস রোগী কয়টি ডিম খেতে পারবে? এ সম্পর্কে চলুন বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।
আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে তিন দিন ডিম খাওয়া যেতে পারে। তাছাড়া ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার চেষ্টা করবেন, এতে আপনার বেশি উপকার পাবেন। এর সাথে কিছু পদ্ধতি জানা দরকার কিভাবে ডিম খেলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে অথবা ডায়াবেটিস বাড়বে না। তা হলো রান্না করার ক্ষেত্রে তেল বা মাখন সিদ্ধ ডিমের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন না, এতে ক্ষতি হবে।
সিদ্ধ ডিম এমনি খেতে পারেন এতে স্বাস্থ্যের জন্য উপকার এবং ডায়াবেটিসের ক্ষতি হবে না কিন্তু যদি ডায়াবেটিসের সাথে আপনার কোলেস্টেরল এর মাত্রা বেশি হয় তাহলে দিনে ১টার বেশি ডিম খাবেন না। তাহলে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পাবে, হৃদরোগের সমস্যা হতে পারে, স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে।
ডায়াবেটিসে ডিমের কুসুম খাওয়া যাবে কি
ডায়াবেটিস রোগীরা ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে কুসুম খেতে নিষেধ আছে কিনা, সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তাই ডায়াবেটিসে ডিমের কুসুম খাওয়া যাবে কি? এ সম্পর্কে চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
পুষ্টিবিদরা বলেছেন যে, ডিমের কুসুম আপনার জন্য ক্ষতিকর হবে না, তবে অতিরিক্ত যদি খাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে শরীরের জন্য ক্ষতি হতে পারে। এটা খাওয়ায় শরীরে চর্বির সাথে স্যাচুরেটেড থাকে যা আপনার ক্ষতি হতে পারে। এর মধ্যে কোলেস্টেরল থাকে যা অতিরিক্ত খেলে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেতে পারে।
রক্তের কোলেস্টেরল যদি বৃদ্ধি পায় সে ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা হতে পারে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। নিয়মিত ভাবে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না, পরিমাণ মতো যদি আপনি খেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না এবং শরীর ভালো থাকবে।
যারা মধ্যম বয়সী রয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ডিমের কুসুম সহ খাওয়া যেতে পারে। বাকি দিনগুলোতে শুধুমাত্র সাদা অংশ খাওয়া যাবে, এক্ষেত্রে সমস্যা হবে না কিন্তু যারা বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুমসহ খাওয়ার সতর্কতা রয়েছে। যেমন;
ডায়াবেটিস রোগীঃ যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে এতে রক্তের শর্করা বৃদ্ধি পেতে পারে, এজন্য প্রতিদিন একটা করে খাওয়া যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ডিম খাওয়া যেতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তবে ডিমের কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ডিমের কুসুম সহ খাওয়া যেতে পারে।
রক্তের সুগার কমাবে ডিম আর ভিনেগার
কিছু নিয়ম মেনে যদি আপনি ডিম খেতে পারেন সে ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তাই রক্তের সুগার কমাবে ডিম আর ভিনেগার, কিভাবে খেলে আপনার সুগার নিয়ন্ত্রণ থাকবে সে সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
বর্তমানে ডায়াবেটিস অনেকেরই হয়ে যাচ্ছে যার কারণে তাদের খাবারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হল; মানুষ শারীরিক পরিশ্রম খুবই কম করে, খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। যার কারণে রক্তের সুগার বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস হয়ে যাচ্ছে।
ডায়াবেটিস হওয়ার কারণে চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের খাবার-দাবার, শারীরিক ব্যায়াম এবং জীবন-যাপন নিয়ম মতে চলার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এজন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে রক্ত সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে ডিম খাওয়া যাবে তবে আপনার শরীরের উপর নির্ভর করবে। ডিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি কিন্তু ডিম খাওয়ার মাধ্যমে রক্তের সুগার কমাবেন কিভাবে সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। চলুন এ বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
ডিম সিদ্ধ করে নিবেন এর পরে খোসা ছাড়িয়ে কাটা চামচ দিয়ে ডিমের ভিতরে ছিদ্র ছিদ্র করে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্র নিয়ে এতে ভিনেগার মিশাতে পারেন। সারারাত ভিনেগার মেশানোর পরে পরের দিন সকাল বেলা উষ্ণ পানির সাথে ডিমটা খেয়ে নিবেন। যদি আপনি নিয়মিত ভাবে খেতে পারেন তাহলে পুষ্টিবিদরা বলেছেন এভাবে ডিম খেলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
তবে এভাবে খেলে আপনার রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ আছে কিনা? সেটা চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে সপ্তাহে কয়টা ডিম খাবেন। সেটা তিনি পরামর্শ দিবেন এবং আপনার শরীরের উপর অবস্থা বুঝেই আপনি সপ্তাহে কয়টা ডিম খাবেন সেটা সিদ্ধান্ত নেবেন।
ডায়াবেটিসে বেশি ডিম খেলেই বিপদ
আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ডিম খাবেন না। কেননা ডায়াবেটিসে বেশি ডিম খেলেই বিপদ হতে পারে। সেজন্য আপনাকে পরিমাণমতো খেতে হবে। চলুন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ডায়াবেটিস রোগীরা যদি ডিম অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন সে ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই নিয়ম অনুযায়ী এবং পরিমাণমতো খেতে হবে। প্রতিদিন একটির বেশি যদি ডিম খেয়ে ফেলেন ডায়াবেটিস রোগীরা সে ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়া যেতে পারে। তাহলে সুগার নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
তবে এর পরেও আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডিমের সাদা অংশটা খেলে সুগার বৃদ্ধি পাবে না। এছাড়াও পুরুষের চাইতে নারীদের ক্ষেত্রে এই সুগারের মাত্রাটা বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই নারীরা সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ডিম খেতে পারেন।
তবে যাদের ডায়াবেটিস টাইপ-২, এক্ষেত্রে ডিম খাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। তাই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে আপনি সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ডিম খেতে পারেন। তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন একটি করে ডিম ডায়াবেটিস রোগীরা যদি খায়। সে ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
কেননা এতে শরীরে লিপিডের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকবে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে প্রতিদিন একটি করে ডিম যদি খাওয়া যায়, তাহলে তাদের রক্ত লিপিডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ থাকে বা স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে।
আরো একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন যদি ডিম খাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করার জন্য সিদ্ধ ডিম খাওয়াটাই উত্তম।
এতে আপনার ডায়াবেটিস কম থাকবে তবে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডায়াবেটিসের রোগীরা ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ঘি, তেল, পনির এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না। তাহলে আপনার ডায়াবেটিস আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে। তাই অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে বা একের অধিক ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে খাবেন।
শেষ কথাঃ ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি ও উপকারিতা সম্পর্কে জানুন
পরিশেষে বলা যায় যে ডায়াবেটিস রোগীদের বিভিন্ন খাবারের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী খেতে হয় এবং পরিমাণমত খাওয়া লাগে। তাই ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য ডায়াবেটিসে ডিম খাওয়া যাবে কি? এ সম্পর্কে আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, আশা করি আপনার উপকার হবে। পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধবের নিকট শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ
এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url