বাংলাদেশ থেকে গ্রিসে যেতে কত টাকা লাগে [আপডেট জানুন]
গ্রিসে যেতে কত টাকা লাগে
বাংলাদেশ থেকে গ্রিসে বিভিন্ন ভিসার মাধ্যমে যাওয়া যায় এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা বিভিন্ন রকম খরচ হতে পারে যেমন আপনি একটু রেস্ট ভিসা টুরিস্ট ভিসা স্টুডেন্ট ভিসা ফ্যামিলি ভিসা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ইত্যাদি বিষয়গুলোর মাধ্যমে আপনি গ্রিসে যেতে পারবেন কিন্তু প্রত্যেকটি ক্যাটাগরির ভিসার একেকটার একেকরকম খরচ হবে
তবে অধিকাংশ মানুষ কাজের জন্যই গ্রিসে যারা থাকে যেতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনার সর্বনিম্ন খরচ হতে পারে 8 থেকে 10 লক্ষ টাকার মতো সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৪ লাখ টাকার মত লাগতে পারে যদি আপনি সরকারিভাবে যেতে চান সে ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মত লাগবে আর যদি বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান সেই ক্ষেত্রে আপনার 9 থেকে 12 লাখ টাকার মত খরচ হবে এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভিসা ক্যাটাগরি রয়েছে চলন কোন বিষয়ে কত টাকা খরচ হবে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক
কৃষি ভিসাঃ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রিসে সাধারণত কৃষি কাজ করার জন্য যায় সে ক্ষেত্রে আপনার যদি অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে অনেক টাকা বেতন পাবেন এই জন্য আপনার কৃষি ভিসার ফি ১৮০ ইউরো খরচ পড়বে এছাড়াও রেসিডেন্সি খরচ পড়বে ১৫০ ইউরো এছাড়াও বিমান খরচ অন্যান্য খরচ মিলে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মত লাগতে পারে বাংলাদেশ থেকে যে সকল একজন সেগুলো মাধ্যমে মানুষজন বেশি গিয়ে থাকে তাদের ভাষ্যমত এই তথ্য দেওয়া হয়েছে
তবে বাংলাদেশের এজেন্সি গুলো পাঁচ লাখ টাকা বেশি নিয়ে থাকে আর যদি আপনি ভাইবা মালয়েশিয়া এর মাধ্যমে ব্রিজ ভিসায় কৃষি ভিসার যেতে চান সেক্ষেত্রে খরচ অনেক কম হবে সাধারণত পাশ থেকে ৮ লক্ষ টাকার মধ্যে কিন্তু বাংলাদেশ থেকে গ্রিসের কিসে ভিসা পাওয়া যেতে পারে সাধারণত পাশ থেকে ৮ লক্ষ টাকার মতো খরচ হতে পারে
তবে বাংলাদেশ থেকে গ্রিসের কৃষি বিষয় পাওয়া একটু সময়ের ব্যাপার এজন্য আপনাকে আবেদন করার পর থেকে প্রায় তিন মাস হতে ছয় মাসের মত অপেক্ষা করা লাগবে তবে বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদন করার কারণে খুবই কম সময় লাগে এবং টাকা অনেক কম লাগে তবে এই ক্ষেত্রে সুযোগ সময় অনুযায়ী বিশাল দাম কম বেশি হয়ে থাকে
ওয়ার্ক পারমিট ভিসাঃ আপনি যদি গ্রিসে স্থায়ীভাবে বসবাস হতে চান এবং কাজ করতে চান সে ক্ষেত্রে পারমিত বিষাদ প্রয়োজন হবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রয়োজন হবে এবং এখানে কাজের মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে এবং প্রচুর পরিমানে টাকা পাবেন আপনি কোন কোম্পানির কাজ যদি শুরু করতে পারেন এবং আরো অনেক শ্রমিক আছে তারাও কাজ করতে পারবে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরির রয়েছে
তবে আপনি যদি পারবেন ভিসা নিতে পারেন তাহলে মাসে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার মত ইনকাম করা যাবে যেমন আপনি সকাল কাজ গুলো করতে পারবেন এই ভিসার মাধ্যমে কৃষি কাজ নির্মাণ কাজ গার্মেন্টস ও ড্রাইভিং সহ সকল ধরনের যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল তবে সকল ভিসা ন্যূনতম সরকারি ভাবে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মত লাগতে পারে এবং বেসরকারি ভিসার ক্ষেত্রে সাত থেকে আট লক্ষ টাকার মত লাগতে পারে চলুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই
টুরিস্ট ভিসা খরচঃ আপনি যদি গ্রিসে ঘুরতে যেতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে টুরিস্ট ভিসা গ্রহণ করতে হবে তাহলে আপনি পর্যটক হিসাবে ওই দেশে যায় থাকতে পারবেন এই ভিসার জন্য আপনার খরচ করতে পারে চার লক্ষ থেকে ছয় লক্ষ টাকার মতো খরচের মধ্যে ফ্লাইট টিকেট ভিসা এ দেশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরপুর যা দেখলে খুবই ভালো লাগবে আপনার খরচ এর মধ্যে ফ্লাইট টিকিট ভিসা ফি এবং অন্যান্য যত টিকিট রয়েছে সকল কিছু এই ব্যয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে
স্টুডেন্ট ভিসায় খরচঃ আপনি যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য স্পেনে স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়ার ইচ্ছা করে থাকেন তাহলে আপনার খরচ হবে চার থেকে ছয় লক্ষ টাকার মতো তবে তবে এটা মূলত শিক্ষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি এবং অনন্য শিক্ষা সামগ্রী সংকট খরচ যোগ করে দেওয়া যাবে পুলিশে পড়াশোনার জন্য মাসে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে
তবে এক্ষেত্রে বিভিন্ন কোর্স সহ অন্যান্য থাকা খাওয়া সকল কিছু এর মধ্যে থাকবে তাছাড়া কোর্স করানোর এবং সময়ও নেই যার কারণে স্টুডেন্টদের বিশেষ কিছু সুবিধা দিতে হবে গ্রীষ্ম সরকার দিয়েছে তাই তাই সে তুলনায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আছে অনেকটাই শ্রেষ্ঠ রয়েছে
আপনি যদি সেখানে স্টুডেন্ট অবস্থায় থাকতে পারেন তাহলে অনেক উপকার পাবেন যদি পরিশ্রমের মৃত্যু হয়ে থাকে তাছাড়া স্টুডেন্ট এর সামনে দিয়ে যদি আপনি পৌঁছে যান তাহলে কি অবস্থা হবে এজন্য স্টুডেন্টরা থাকা খাওয়া ইত্যাদির সকল কিছু বের করতে হবে এবং মাসে কত টাকা দেওয়ার মত এবিলিটি আছে সেগুলো দিয়ে দেওয়া যাবে
স্টুডেন্টরা বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপ পেয়ে থাকে গ্রিসে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাসের যেগুলো ভালো স্টুডেন্ট রয়েছে সেগুলো দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে সেমিস্টার ফ্রী সহ আরো সঙ্গীপূর্ণ বিষয়গুলো ফ্রি অথবা ফুল ফ্রি যদি করা হয়ে যায় তাহলে এক্ষেত্রে স্টুডেন্টরা অনেক ভালোমতো পড়াশোনা করতে পারবে তাহলে আর পড়াশোনা অবগত অনেকটাই খরচ কমে যায়
বিষয়গুলো ছাড়াও আরো অনেকগুলো ভিসা রয়েছে যেগুলো খারাপ সম্পর্কের নিচে তুলে ধরা হলো
কোম্পানি ভিসার মাধ্যমে যদি আপনি গ্রিসে যেতে চান তাহলে অবশ্যই কোম্পানির সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে তবে কোম্পানি বিষয়ে যদি আপনি যেতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে খরচ হবে ৮ থেকে দশ লক্ষ টাকা মতন
অনেকেই হোটেল বা রেস্টুরেন্টে চাকরি করতে পছন্দ করে থাকে সেক্ষেত্রে আপনার এই ধরনের ভিসার খরচ হবে আর থেকে দশ লাখ টাকার মত তাছাড়া এখানে অনেক টাকা বেতন পাবেন এবং প্রচুর পরিমাণে টিপস পাবেন যা দিয়ে আপনি বাসায় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকার মতো পেতে পারেন
যাদের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা গ্রিসে ড্রাইভিং ভিসায় বাধ্য হয়ে যেতে পারেন এক্ষেত্রে খরচ হতে পারে ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা তবে অবশ্যই গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে তা না হলে আপনার চাকরি বাতিল হয়ে যাবে
শ্রমিক দিনমজুর লেবার সাধারণ কাজের জন্য দাদনপুর দিয়ে থাকেন সেই ক্ষেত্রে ছেলেমেয়েরা দেখে প্রতিনিয়তই গুলো চায়
ফ্যাক্টরি কল কারখানা ভিসার দাম প্রায় আট লক্ষ টাকার মত এ বিষয়ে আপনি অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করবেন
ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স এর ভিসার দাম ১ লাখ টাকার মত
সিজনালঃ প্রতিবছর এরনায় এবারও মাহফিল হতে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে ইলেকট্রিকালে যারা অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা ভিসার মাধ্যমে যেতে পারেন করতে পারে ৮ লাখ টাকার মত ও ইলেকট্রনিক্স
খরচ বিমানের খরচঃ আপনি যদি গ্রিসে যেতে চান সে ক্ষেত্রে মোট অনেক টাকা খরচ হতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো আরাম ভাই আপনার টাকা দিতে একটু দেরি হচ্ছে তবে সমস্যা পেয়ে যাবেন এক্ষেত্রে আপনার খরচ করতে পারে ৬০ হাজার থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মত
ভিসা প্রসেসিং এবং অন্যান্য খরচঃ ভিসা সকল কিছু তৈরি হতে পারে ১৫ থেকে ৩০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে তবে কিছু সময় বেশিও লাগতে পারে এছাড়া আপনি মেডিকেল রিপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও অন্যান্য ডকুমেন্টের জন্য কিছু অতিরিক্ত
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ইন্সুরেন্সঃ আপনি যদি অসুস্থ হয়ে থাকেন তাহলে কখনোই এজন্য আপনাকে একটু ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং আমার বাড়ির মধ্যে যারা অনেক জায়গা রয়েছে যা ছেড়ে দিয়ে বলা যাবে একটু খেয়াল রাখতে হবে তো পরীক্ষার খরচ সাধারণত ৫ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা
এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url