বিতর নামাজ পড়ার সঠিক সময় ও নিয়ম সম্পর্কে জানুন
বিতরের নামাজ পড়ার সময় সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে তবে সবাই ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে আপনি যখন এশার নামাজ পড়বেন তারপর পরে বেতের নামাজ পড়া যাবে এবং তখন থেকেই শুরু হবে
এজন্য বলা যায় যে আপনি যদি শেষ রাতের দিকে আয়োজন করার জন্য জাগ্রত হতে পারে এক্ষেত্রে অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে হবে তাহলে আপনি তাহাজ্জত নামাজ পড়ে ভেতরে নামাজ পড়তে পারেন তবে অবশ্যই কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যদি আপনি জাগ্রত না হতে পারেন এর বিতরে নামাজ না পড়েন তাহলে গুনাহগার হবেন আর যদি আপনি মনে করেন তাহাজ্জুদ নামাজের সাথে বিতরের নামাজ পড়বেন না তাহলে এশার নামাজের পর 24 রাকাত নফল নামাজ পড়েই বেতরের নামাজ পড়তে পারেন
হাদিসে বর্ণনা আছে যে শুধুমাত্র বিতরে নামাজ তিন রাকাত পড়েন তাহলে মাগরিবের নামাজের তিন রাকাত এর মত হয়ে গেল তাই অবশ্যই এরপরে কয়েক রাকাত নফল নামাজ পড়বেন তারপরে বেতরের নামাজ পড়তে পারেন
আয়েশা রাঃ হতে বর্ণনা করা হয়েছে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম সাধারণত রাত্রিতে নামাজ পড়তেন তখন আমি তার বিছনা আড়াহারি করে ঘুমিয়ে যেতাম এরপরে তিনি যখন বিতর পড়ার পোষণ করেন তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেও এবং আমিও ভেতরে নামাজ পড়ে নিতাম বুখারী শরীফ নাম্বার ৯৯৭
সাঈদ ইবনু ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেছেন আমি এবং আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ একসাথে রাস্তা দিয়ে তুমি আরো বলেন আমি যখন ফজর হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতাম তখন দেখা গেল করেছিলাম অথবা আমার এখন দাঁড়াতে যেতাম সেই ক্ষেত্রে রাস্তার মাঝেও করে নামাজ ঠিক করে নিতাম এখন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহ ু তা'আলা আনহু
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু জিজ্ঞেস করল তুমি কোথায় ছিলে আমি বললাম আমি নেমে বেতরের নামাজ পড়েছি তখন বললেন এর মধ্যে তোমার আদর্শ নিয়ম মনে করো তোমাদের মধ্যে যদি রাসুল সাল্লাহু সালাম এর আদর্শ থেমে থাকে তাহলে অবশ্যই করার চেষ্টা করবেন এবং সালাত কায়েম করা উটের পিঠে থাকা অবস্থায় অনেক সময় নামাজের সময় হয়ে গেলে ভেতরে ভেতরে নামাজ ঠিকই রেখেছো বুখারী শরীফ 999
এই হাদিসের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারলাম যে ভিতরের নামাজের অনেক গুরুত্ব আছে তাই শেষ রাতে যদি জাগ্রত হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারেন তাহলে আপনি তাহাজতের নামাজ পড়ে ভেতরে নামাজ পড়তে পারবেন আর যদি আপনিও নিরাপত্তা দিতে পারেন সে ক্ষেত্রে এটা দেওয়া যেতে পারে
ইসলামের পাঁচটি খুঁটি আছে যা আসলে এরমধ্যে নামাজটি অন্যতম এটা আমাদের জন্য ফরজ একটি এবাদত কোরআন শরীফের 82 বারের মত নামাজের কথা বলা হয়েছে তাই নেশাই নিশ্চয় কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ সূরা নিসা আয়াত নাম্বার ১০৩
রাসুল সাঃ ওয়াক্ত মতে নামাজ পড়ার জন্য দিয়েছেন এবং নিজেও উপস্থিত হতে হবে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেছেন যে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কে বলতে শুনেছি কোরআনকে আল্লাহর নিকট সবচাইতে বেশি প্রিয় ফরিদপুরে তিনি চুপ করে বসে ছিলেন এবং তাছাড়া
দিনশেষে আমাদের নামাজ পড়তে হয় এশার নামাজ যা আদায় করার জন্য ছোট বাচ্চাদের নেওয়া হচ্ছে
এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url