ব্রংকাইটিস রোগ হলে কি কি হয় ও এর চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন
ব্রংকাইটিস রোগ হলে কি কি হয়
ব্রংকাইটিস কিঃ ব্রংকাইটিস রোগটা সম্পর্কে আপনাকে আগে জানতে হবে এক ধরনের ফুসফুসের মধ্যে শ্বাসনালীর ব্যথা শুরু হয় যার কারণে শ্বাসনালের অনেক সময় ফুলে যায় এবং অতিরিক্ত কাশি হয় শ্বাসনালী অনেকটা চিকন হয়ে যায় যার কারণে বায়ু চলাচল করতে সমস্যা দেখা যায়
এছাড়াও কাশি শ্বাসকষ্ট শব্দ হওয়া বুকের ভিতর শব্দ হওয়া অতিরিক্ত প্লেশমা দেখা যায় দেখা দিতে পারে এর সাথে ইনফেকশনও হতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট প্রচুর পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে যার কারণে দেখা যায় অনেক সময় হাসপাতালে ভর্তি হতে হওয়া লাগতে পারে হতে পারে
ব্রংকাইটিস কত ধরনেরঃ ব্রংকাইটিস মূলত দুই রকমের হয়ে থাকে 1 তীব্র ব্রংকাইটিস ২ দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস
তীব্র ব্রংকাইটিসঃ মনে করুন আপনার হালকা ঠান্ডা লেগেছে এতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে যার কারণে দেখা যায় তেমন একটা সমস্যা হয় না কিন্তু তারপরেও এটা এক ধরনের রোগ বলা হয় প্রতিবছর প্রচুর মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ যাবত দেখা যেতে পারে তারপর সাধারণত একাই সেরে যায়
দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিসঃ এ ধরনের ব্রংকাইটিস আপনাকে গুরুতর অবস্থা করে দেবে কেননা দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিস শ্বাসনালীর ভেতর ব্যথা করতে থাকে এবং এটা অতি তাড়াতাড়ি সারতে চায় না যারা ধূমপান করে তাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি হয় তাই এ বিষয়ে সতর্কতা থাকতে হবে
ব্রংকাইটিস এর কারণঃ ব্রংকাইটিস বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে তাই এ সম্পর্কে আপনার জানার প্রয়োজন তাহলে আপনি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন কি কারনে আপনার ব্রংকাইটিস হচ্ছে চলুন জেনে নেওয়া যায়
যখন আপনি ধুলাবালি ও রাসায়নিক ধোয়ার পরিবেশে যদি কাজ করতে থাকেন বা কোন কারনে সেখান দিয়ে যেতে থাকেন তাহলে আপনার হতে পারে
আপনি যদি একটি জায়গায় দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করেন এবং সেই জায়গাটা যদি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ হয়ে থাকে তাহলে সেখান থেকে আপনার এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে
সব সময় যদি আপনি সাতসাতে ধূলিকণা এ ধরনের আবহাওয়ার ভিতরে থাকেন তাহলে আপনার এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে
অনেকের আবার বাবা-মার বা বংশগত কারণেও এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় এটা আপনার শ্বাসনালীর এক ধরনের ছিলিয়া থাকে সেটা নষ্ট করে দিতে পারে যার কারণে হয়
ব্রংকাইটিস রোগ হলে যা হয়ঃ এই রোগটি হওয়ার পরে আপনার কি হতে পারে সে সম্পর্কে চলুন বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যায়
বুকের মধ্যে নিঃশ্বাস নিতে অনেকটাই কষ্ট হবে এবং বিশ্বাস কমে যাবে বুক শক্ত হয়ে যাবে
জ্বর ঠান্ডা লেগেই থাকবে
যখন আপনি কাঁদবেন কাশি দিবেন সে ক্ষেত্রে দেখা যাবে মিউকাস যে বের হবে সেটা পরিষ্কার অথবা ফ্যাকাতে দেখাচ্ছে হলুদ কালারের দেখা এবং অনেকে অনেক সময় রক্তের মত দেখা যেতে পারে
শরীরের প্রচণ্ড ব্যথা করতে পারে
অনেক কাশি হতে পারে কাশির সবাই বুকে ব্যথা লাগে
শ্বাস-প্রসার যখন নিতে যাবেন তখন দেখবেন বুকের ভিতর সব ধরনের শব্দ হবে
শক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার অসুবিধা হতে পারে
যখন আপনি কাজটা যাবেন অনেক সময় রক্ত বা পফের সাথে রক্ত বের হতে পারে
গলায় প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে টনসিল ফুলে যেতে পারেন নাক দিয়ে পানি আসতে পারে এই ধরনের সমস্যা গুলো দেখা দিতে পারে ইত্যাদি
তবে এই উপসর্গগুলো সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে অনেকের ঠিক হয়ে যেতে পারে কিন্তু যদি আরো বেশি দিন আপনার এই কাশি দেখা দিতে পারে সে ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী বলা হয়ে থাকে এক্ষেত্রে দেখা যাবে আপনার অনেক সময় তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে
এ ধরনের ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া যদি আপনার শরীরে সংক্রমণ করে থাকে তাহলেটিস রোগ হয়েছে মনে করতে হবে এটা আপনার শেষনালী খুলে যেতে পারে বুকে অতিরিক্ত কর জমা হতে পারে এছাড়াও শ্বাসনালীর ভিতরে রাস্তাটি চিকন হয়ে যাবে এর কারণে আলো বাতাস নিতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে যার কারণে সব সময় আপনার শ্বাসকষ্ট সমস্যা হতে পারে
শিশুর ব্রংকাইটিসঃ সাধারণত শিশুদেরও প্রচুর পরিমাণে এই ধরনের সমস্যাগুলো দেখা যায় বিশেষ করে তাদের হালকা জ্বর থাকে নাক দিয়ে পানি আসে কিছু খেতে চাবেনা কান্না করতে থাকে গলা বসে যেতে পারে শিশু হাসতে পারে না ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে শ্বাসকষ্ট দেখা যায় এগুলো সাধারণত শিশুদের ব্রংকাইটিসের লক্ষণ হতে পারে এছাড়াও তাদের দ্রুত শ্বাস নিতে দেখা যায় মিনিটে প্রায় 60 থেকে 70 এর বেশি দেখা যেতে পারে এবং বুকের পাঁজরের নিচে অনেক সময় ডেভে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে
অনেক শিশুর দেখা যায় ঠোঁট বা হাত বা নীল হয়ে যেতে পারে আপনার শিশু যখন শ্বাসকষ্ট সমস্যা দেখা যায় তখন দেখবেন বুকের ভিতর বাসের মতো শব্দ করছে এছাড়াও অনেকের বাসের মতো শব্দ এবং অনেক সময় কাপড়ের ঘর্ষণের শব্দ শোনা যেতে পারে এ ধরনের সাধারণত শিশুরা তিন থেকে চার দিনের মধ্যে অনেক অসুস্থ হয় আবার অনেকের শ্বাসকষ্ট কাশি দেখা যায় লেগেই আছে কিন্তু সে বাচ্চা খেলছে খাওয়া-দাওয়া করতেছে হাসি ঠাট্টা করছে কোন অসুবিধা হচ্ছে না
কিন্তু যে সকল শিশু বুকের দুধ আর খেতে পারেনা ওজন কমে যাচ্ছে বা জন্ম থেকেই ওজন কম অথবা তার পিতা-মাতা ধূমপান করেছে এই ধরনের শিশুর অসাধারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে এটাকে এক ধরনের ব্রংকাইটিস বলা হয়ে থাকে এটা দীর্ঘস্থায়ী জগত থাকবে এটা সাধারণত তামাকের দোয়া ঠান্ডা বাতাস বায়ু দূষণের কারণেও এই ধরনের ব্রংকাইটিসের সমস্যা দেখা যায়
শিশুদের সাধারণত এই ধরনের ব্রংকাইটিস হয়ে থাকে ভাইরাসেরার কারণে এজন্য দেখা যায় অনেক সময় বড়দের থেকে এই ধরনের সমস্যাগুলো হয়ে থাকে তাই যে সকল মানুষের ব্রংকাইটিসের সমস্যা রয়েছে তারা শিশুদের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন
গবেষণায় দেখা গেছে যে তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের সাধারণত হাঁপানি ছাড়া শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা অর্থাৎ ব্রংকাইটিসের সমস্যা বেশি দেখা যায় হাঁপানি এক ধরনের শ্বাসনালী কে দীর্ঘস্থায়ী ভাবে ব্যথা দিতে পারে এবং এটা একটা বংশগত রোগ বলা হয়ে থাকে পারিবারিক ইতিহাস থেকে জানা যায় যে শাস্ত্রন্তের সংক্রমণ ধুলাবালা উৎকন গন্ধ সিগারেট বা অন্য ধোঁয়া পশু পাখির পালক ছত্রাকের কারণে হাঁপানের সমস্যা দেখা যায়
আপনার শশুর যখন এই ধরনের লক্ষণ গুলো দেখা যাবে তখন অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে এজন্য অবশ্য একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং তিনি বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন এজন্য তার রক্ত অথবা প্রসব স্পুটাম এর নমুনা অথবা আঙ্গুলের মনিটর ইত্যাদির মাধ্যমে শিশুদের রক্তের অক্সিজেন মাত্রা পরীক্ষা করা
এইভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর একজন চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়া ক্রিটিস এর সমস্যা রয়েছে কিনা ব্রংকাইটিসের সমস্যা রয়েছে কিনা যদি সাধারণত এই ধরনের সমস্যাগুলো দেখা যায় অথবা বুকের এক্সরে করার পর অনেক সময় এই ধরনের সমস্যা গুলো দেখা যায় রক্ত পরীক্ষার সাধারনত অধিকাংশ এই ধরনের সমস্যা তেমন একটা দেখা যেতে নাও পারে
এরপরও যদি শিশু স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করে এবং খাওয়া দাওয়া করে জ্বর যদি বেশি না থাকে অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক থাকে তাহলে বাড়িতেই আপনি চিকিৎসা করতে পারেন মাথাটি উচু করে রাখতে পারবেন বুকের দুধ খাওয়াতে হবে এছাড়াও যদি ছয় মাসের বয়স বেশি হয় সে ক্ষেত্রে স্বাভাবিক খাবার গুলো দিবেন এবং পর্যবেক্ষণ করবেন যদি সমস্যা না থাকে খাবার দাবার খেতে থাকে এবং শ্বাসকষ্ট যদি অনেক সহযোগী দেখেন বেড়ে যেতে চাচ্ছে এবং জ্বরও যদি বৃদ্ধি পায় তাহলে অবশ্যই হাসপাতালে নিয়ে যাবেন
এই ধরনের সমস্যা যদি দেখা যায় তাহলে অক্সিজেন দিয়ে রাখতে হবে এবং যদি খেতে না পারে তাহলে নাকের ভিতরে নল দিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে অথবা শিরায় স্যালাইন দিতে পারেন স্যালাইন দিতে পারে যেহেতু ব্রংকাইটিস এক ধরনের ভাইরাস দ্বারা এই ধরনের সমস্যা দেখা যায় সে ক্ষেত্রে অনেক সময় ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা তেমন একটা ফলপ্রসহ হয় না
এজন্য আপনাকে অবশ্যই নেবুলাইজার করা যেতে পারে এতে শিশু নিঃশ্বাস নিলে তার কাশি এবং শ্বাসকষ্টটা অনেকটাই কমে যায় সাধারণত চিকিৎসা করা হয় এছাড়াও সালভিটাবল দিয়ে অনেক সময় নেবুলাইজার করলে শিশুর অনেকটাই উপকার হবে এবং শ্বাসকষ্ট অনেকটা কমে যাবে অথবা উচ্চমাত্রায় স্যালাইন দিয়ে অনেক সময় নেবুলাইজার করার কারণে বুকের স্লেস হওয়ার কমে যেতে পারে কমে যায়
উপলক্ষে কাজগুলো করার পরও যদি শিশুর অবস্থা ভালো না দেখেন তাহলে অবশ্যই শিশুকে হসপিটালে নিতে হবে এবং আইসি এর মধ্যে রেখে তার চিকিৎসা দিতে হবে যেহেতু এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ তাই এটি এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অনেক সময় কাজ নাও হতে পারে
তবে শিশু যদি বেশি অসুস্থ হয়ে যেতে পারে জ্বর বেশি হয় শ্বশুর বয়স যদি খুবই দুই মাসের কম হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে অবশ্য চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক যদি অ্যাক্টিভেটিক দেয় তাহলে খাওয়ানো যেতে পারে
ব্রংকাইটিস রোগ যেভাবে নির্ণয় করা হয়ঃ সঠিক চিকিৎসা করার জন্য অবশ্যই আপনাকে নির্ণয় করতে হবে আর কি কারনে সৃষ্টি হচ্ছে সংক্রমণ হচ্ছে কতটা সংক্রমণ হলো তার উপর ভিত্তি করে সবচেয়ে বেশি দেবেন প্রথমে আপনার ব্রংকাইটিসকে সাধারণত ঠাণ্ডার এটা চিকিৎসা দেওয়া হয় কিন্তু যদি সমস্যাটা আরো বেশি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসা দেওয়াটা কঠিন বিষয় করতে হবে সে ক্ষেত্রে যে পরীক্ষা-নির কেবল করা যেতে পারে তা হলো
এলার্জি বা অন্যান্য কোন লোক যদি থাকে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই এই রোগগুলো নির্ণয় করার জন্য আপনার থুতুর পরীক্ষা করা লাগবে
পালস টক্সিমিটার দিয়ে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা নির্ণয় করা যাবে তাছাড়া কোর্স পরীক্ষা করা নিউমোনিয়া বা অন্য কোন কারণে ফুসফুসের সমস্যা যদি থাকে পেটে বুকের একসাথে করা যেতে পারে
আর যারা ধূমপান করেন তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যায় এই ক্ষেত্রে যদি আসবার লক্ষণ হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে পালমোনারি ফাংশন টেস্ট করা যেতে পারে
ব্রংকাইটিস রোগের চিকিৎসাঃ এই রোগ যদি আপনি চিকিৎসকের মাধ্যমে নির্ণয় করতে পারেন সে ক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসা দিলে সুস্থ হয়ে যাবেন রোগের অবস্থা অনুযায়ী একজন চিকিৎসক সাধারণত তার চিকিৎসা দেওয়া শুরু করে থাকেন বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তীব্রণ কাটির সৃষ্টি হয় সাধারণত ভাইরাসের জন্য তাই এই রোগ নিরাময়ের জন্য অবশ্যই এন্টিবায়োটি ক দেওয়া যাবে না এজন্য
যদি ব্রংকাইটিস সাধারণ হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে দুই দিনের মধ্যে এই রোগটা নিজে থেকেই ভালো হয়ে যাবে আর যদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায় এবং তার শ্বাসকষ্ট বেশি হয় এবং ঘুম কম হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসক কাশির সিরাপ দিয়ে থাকে এছাড়াও বুকের শ্বাসকষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দিয়ে থাকে
অনেকের দেখা যায় বুকের কফ জমে যেতে পারে এক্ষেত্রে সহজভাবে যদি এটা বের করতে চান তাহলে হয়তো এক ধরনের যন্ত্র রয়েছে সেটা ব্যবহার করা যেতে পারবে যাদের আগে থেকেই আসবে বা ফুসফুসের সমস্যা আছে তারা তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া যাবে
এছাড়াও রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই শারীরিক ব্যায়াম করা লাগবে অক্সিজেন তবে ধূমপান ছেড়ে দিবেন তরল পদার্থ বেশি করে খেতে হবে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সহজভাবে মুক্তি পাবেন এই ধরনের সমস্যা দূর করার জন্য যে ওষুধগুলো খাবেন বা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিতে পারেন চলুন জেনে নেওয়া যাক
এন্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসাঃ যদি আপনার তীব্র আকারের ব্রংকাইটিস হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করানো যেতে পারে যদি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রমণ হয় আর যদি ভাইরাস যারা সংক্রমিত হয় সে ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা দেওয়া যাবে না
অ্যান্টি হিস্টামিনঃ এন্টিবায়োটিক এর পাশাপাশি আপনার শ্বাসনালীর যে ব্যথা হয় তাকে সেটা কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন দেওয়া যেতে পারে
ব্রংকাইটিসের ব্যথা কমানোর জন্য এবং শ্বাসনালী শুরু থেকে মুক্ত করার জন্য বাসলেস হওয়া কমানোর জন্য অবশ্যই আপনার নেবুলাইজার ব্যবহার করে যেতে পারে
রোগের যে সকল খাবার খাওয়া নিষেধঃ রোগীদের জন্য যে সকল খাবার খাওয়া ঠিক হবে না সে সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
ধূমপান করা যাবে না এতে আপনার ব্রংকাইটিস এর সমস্যা আরো বেশি দেখা যায় মত জাতীয় অ্যালকোহল বা মদ জাতীয় পানীয় খাওয়া যাবেনা এটাই সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে
তেলযুক্ত খাবারঃ যে সকল খাবার গুলোর মত অতিরিক্ত তেল থাকে তা হজমের সমস্যা দেখা যায় এবং রোগীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না
মসলাদার খাবারঃ অতিরিক্ত মসলা দিয়ে খাবার খেলে বৃদ্ধি পেতে পারে শাসন আলীর ব্যাথার বেড়ে যেতে পারে এজন্য ব্রকিস রোগীদের সাধারণত মসলা জাতীয় খাবার গুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
ঠান্ডা খাবারঃ যদি আপনার এই ধরনের সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে যদি ঠান্ডা জাতীয় খাবারগুলো খান তাহলে আপনার ব্যথা আরো বেড়ে যাবে এবং অনেক কষ্ট হবে তাই রোগীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের খাবার গুলো খাওয়া যাবে না
ব্রংকাইটিস রোগীর খাবারঃ ের জন্য কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে আপনার অনেকটাই ভালো লাগলে ভালো লাগবে এবং ব্রংকাইটিস কমে যাবে চলন জেনে নেওয়া যাক
ফল ও শাকসবজিঃ বেশি করে ফল ও শাকসবজি খাওয়া লাগবে যাতে এর ভিতরে ভিটামিন এবং খনিজ বাচ্চা আছে সেই ফলগুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে
তরল জাতীয় খাবারঃ এ ধরনের রোগীদের সাধারণত পানি শূন্যতা দেখা যায় তাই এ ধরনের রোগীদেরকে সাধারণত পানি শূন্যতা দূর করতে হবে এবং প্রদাহ থেকে বের হওয়ার জন্য তরল জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরী
হালকা খাবারঃ সাধারণত এই সময় খাদ্য হজম হতে সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে আবার যেন হজম তাড়াতাড়ি হয় এজন্য হালকা খাবার খাওয়া যেতে পারে এটা আপনার ব্রংকাইটিসের সমস্যা দূর হয়ে যাবে
ব্রংকাইটিস রোগীর কিছু সতর্কতাঃ এ ধরনের রোগীদের জন্য সতর্কতা ভাবে জীবন যাপন করতে হবে তাহলেই অনেকটা সুস্থ হবে চলুন জেনে নেওয়া যাক
যখন আপনি বাড়ির বাইরে চলে যাবেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই মার্কস ব্যবহার করা লাগবে এটা আপনার এলার্জির সমস্যা এবং হাসি-কাঁচির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন
অবশ্যই সমস্যা হয় একবার ব্রংকাইটিসের সমস্যা দেখা যায় সেক্ষেত্রে তার বারেবারে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এজন্য এই ধরনের সংক্রমণ দূর করার জন্য এক ধরনের টিকা নিতে পারেন তবে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে নিতে হবে
ধূমপান থেকে বিরত থাকা জরুরী এছাড়াও কেউ যদি ধূমপান করে তার কাছ থেকে আপনাকে চলে যেতে হবে অথবা কয়েল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে
মদ্যপান বা অ্যালকোহল জাতীয় যে সকল পানি রয়েছে সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে নিয়মিত ব্যায়াম করা লাগবে প্রচুর পরিমাণে তর পানি খাবেন নিজেকে ঠান্ডা থেকে মুক্ত রাখবেন
ব্রংকাইটিস রোগীদের আরামের কিছু টিপসঃ যে বিষয়গুলো প্রাকৃতিকভাবে যদি আপনার ব্যবহার করেন তাহলে অনেকটাই আরাম পাবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক
এজন্য অবশ্যই আপনাকে দুইবার গরম পানি আদা দিয়ে তারা কুলি করা লাগবে এবং হালকা করে খেতে পারেন
তাছাড়া গোসল করার সময় অবশ্যই হালকা গরম পানিতে গোসল করতে হবে ঠান্ডা পানিতে গোসল না রেখে ঠান্ডা লেগে যাবে
এছাড়াও গরম পানির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মসলা দিয়ে যদি ভাব নিতে পারেন তাহলে আপনার অনেকটাই কমে যাবে
যে খাবার বা ফল খেলে আপনার শরীরের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে সেই সকল কল খাবেন
ব্রংকাইটির সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি যাদেরঃ যে সকল মানুষ সাধারণত ব্রণ কাটিস হতে পারে তাদের কিছু বর্ণনা দেওয়া হল
যারা অতিরিক্ত ধূমপান করেন এবং পেশাদারী ধূমপান করেন অথবা তার কাছাকাছি যারা থাকেন তাদের এই ধরনের তীব্র ব্রঙ্কাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
এছাড়া আপনি যদি সার্বক্ষণিক রাসায়নিক কাজ করে থাকেন এবং ফুসফুসে জ্বালাপোড়া দেখা যায় এবং টেক্সটাইল অথবা সর্ষের উপরে রাসানিক হওয়ার কারণে
যাদের সাধারণত বড় ধরনের রোগ রয়েছে যেমন ডায়াবেটিস হাই প্রেসার তাদের সাধারণ ক্ষমতা লোকদের অথবা ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধরনের রোগের বেশি সম্ভাবনা দেখা যায়
এছাড়া অনেক সময় কেটে গ্যাস হয়ে থাকে এবং গলা ব্যথা করে জ্বালাপোড়া করে এগুলো মূলত দরকার দেখা যায়
যখন ডাক্তারের কাছে যাবেনঃ কাশির সাথে সাথে যখন রক্ত বের হয়ে আসবে এবং শ্বাসকষ্ট আরও বেশি দেখা যাবে তখন অবশ্যই হসপিটালে নিতে হবে তিন সপ্তাহের বেশি যদি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসার পরামর্শ নিতে হবে বুকে যদি ব্যথা করে এছাড়াও বুকের ভিতরে যদি শব্দ করে শ্বাসকষ্ট নিতে সমস্যা হয় এছাড়া ওজন কমে যায় এবং প্রচুর পরিমাণে জ্বর থাকে
এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url