মুখের ভিতর ঘা হলে করণীয় কি ও এর ওষুধ সম্পর্কে জানুন
মুখের ভিতর ঘা হলে করণীয় কি
মুখের ঘা এক ধরনের আলসার নামে পরিচিত মুখের ভিতরে ছোট ছোট ঘা হয়ে থাকে বা ক্ষত হয় অনেকের ঠোটের উপর অথবা গালের ভিতর ঠোঁটের কোণে জীবের উপর বা নিচে ঘা হয়ে থাকে সাধারণত ভিটামিন বি১২ ভিটামিন সি যে জিংক ফলেট এ ধরনের ভিটামিনের অভাবের কারণে সাধারণত মুখে ঘা হয়ে থাকে তাছাড়া ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণেও বা শরীরে হরমোন জনিত সমস্যা হলে এই ধরনের আলসার গুলো দেখা যায়
এছাড়াও আরো কিছু কারণে মুখে যা হতে পারে তা হলো অতিরিক্ত মসলা জাতীয় বা ঝাল যুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে হতে পারে এজন্য আপনি এই ধরনের মসলা জাতীয় খাবার গুলো পরিহার করবেন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে তাছাড়া খাদ্য হিসেবে আপনি ভিটামিন এ সি ই এই ধরনের খাবারগুলো খাবেন এছাড়াও যেখানে ঘা হয়েছে সেখানে স্পর্শ করবেন না এতে আরো ইনফেকশন হবে এছাড়া সবসময় পরিষ্কার থাকবে সকালে বা রাত্রিতে অবশ্যই ব্রাশ করতে হবে এবং ব্রাশ অবশ্যই নরম হতে হবে
মুখ ও দাঁতের সঠিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং যত্ন নেওয়া লাগবে চেষ্টা করবেন হালকা গরম পানির মধ্যে একটু লবণ দিয়ে কুলকুচি করার এছাড়াও হাইড্রোজেন পার ড্রাগ অক্সাইড যুক্ত পানি মিশিয়ে গোল করছে করা যেতে পারে করতে পারেন এছাড়াও এক ধরনের জেল পাওয়া যায় সেটাও ব্যবহার করতে পারবেন
যষ্টি মধুঃ এটা এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার মুখের ঘা দূর করতে ভালো উপকার করে থাকে এক চামচ পরিমাণ যষ্টিমধু নিয়ে পানির মধ্যে ভিজিয়ে রাখবেন এক কাপ পরিমাণ পানির মধ্যে ভিজিয়ে রাখবেন এরপরে এই পানি দিয়ে কুলকুচি করবেন দেখবেন ভালো উপকার পাবেন
অ্যালোভেরা জেলঃ এলোভেরা জেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান যার মধ্যে অ্যান্টিসেপটিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এন্টি ফাংগাল এন্টিভাইরাস অ্যান্টিভাইরাল উপাদান থাকার কারণে আপনার মুখের ঘা সারাতে ভালো কাজ করবে তাই এটা আপনি ব্যবহার করে দেখতে পারেন
নারিকেলের দুধঃ এটা এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার মুখের গায়ে দূর করতে সাহায্য করবে এজন্য আপনি এক চামচ পরিমাণ নারকেলের দুধ নিবেন এর সাথে মধু মেশাতে পারেন এরপরে এর মধ্যে এই মিশ্রণটি আপনি যেখানে ঘা রয়েছে সেখানে দিলে তিন চারবার লাগাতে পারবেন মধুর যদি না থাকে তাহলে আপনি শুধুমাত্র নারকেলের দুধ দিয়েও ক্ষতস্থানে মালিশ করলে আপনার ক্ষতস্থান তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে
তুলসী পাতাঃ তুলসী পাতা কে প্রাকৃতিক ঔষধ বলা হয়ে থাকে এজন্য আপনি তুলসী পাতার রস বের করে আপনার মুখের ঘায়ের আক্রান্ত স্থানে অল্প পরিমাণ করে লাগিয়ে দেবেন দেখবেন অনেকটাই শুকিয়ে যাবে এবং কোন ইনফেকশন হবে না
এলাচঃ এলাচ অত্যন্ত একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার মুখের গার উপকার করে থাকে এজন্য এর গোড়া নিয়ে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে আপনার মুখের যেখানে ঘা রয়েছে সেখানে লাগিয়ে দিবেন আশা করা যায় অনেক উপকার পাবেন
মধুঃ মধুর এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আপনার বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ বা ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টি মাইক্রোবাল মাইক্রোবিয়াল থাকে যা আপনার বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কে প্রতিহত করতে পারে তাই আপনার পরিমাণ মতো নিয়ে আপনারা ক্লান্ত স্থানে লাগিয়ে দিবেন আশা করা যায় ক্ষতস্থান অতি দ্রুত সেরে যাবে এবং জ্বালাপোড়া কম করবে
টি ব্যাগঃ এমন উপকার করে থাকে যা আপনার আক্রান্ত স্থানের ব্যথা জ্বালাপোড়া এর ক্ষেত্রে ভালো কাজ করবে এজন্য একটি টিউব অ্যাপ ঠান্ডা পানির মধ্যে ভিজিয়ে রাখতে হবে এরপরে সেই পানিটুকু যেখানে আপনারা রাখেন ঘা হয়েছে সেখানে লাগিয়ে দিবেন দেখবেন তাড়াতাড়ি ব্যথা এবং ক্ষতস্থান শুকিয়ে যাবে
লবণ পানিঃ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যা আপনার মুখের ঘা এবং ব্যথা দূর করতে সাহায্য করবে এজন্য হালকা গরম পানির মধ্যে এক্সেলটি লবন নিবেন এর পরে কল করছি এবং বারবার করতে পারেন আপনার মুখের ভিতর ঘা দ্রুত শুকিয়ে যাবে এবং ব্যথা দূর হয়ে যাবে
গ্লিসারিন ও ফিটকারিঃ এই দুটি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনি অল্প পরিমাণ এই দুটি উপাদান নিয়ে মিশ্রণ করবেন এরপর আপনার আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিবেন দিনে কয়েকবার ব্যবহার করলে আশা করা যায় দুই এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার এই ধরনের গা দূর হয়ে যাবে
হলুদঃ হলুদকে বলা হয় প্রাকৃতিক উপাদান প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক যা আপনার বিভিন্ন ধরনের ক্ষত শুকাতে দ্রুত কাজ করে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতে সাহায্য করে তাই আপনার মুখের ভিতরে যদি ঘা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে মধু এবং হলুদের গোড়া মিশিয়ে আপনারা ক্রান্তি স্থানে লাগিয়ে দেবেন দেখবেন ভালো কাজ করবে
টমেটোঃ আপনি যখন খাবার খাবেন তখন টমেটোর সালাদ করে খেতে পারেন এতে আপনার মুখের ভিতর ঘা দূর হয়ে যাবে কেন না এর ভিতরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকে যা আপনার মুখের গায়ে দূর করতে সাহায্য করবে
ধনেপাতাঃ আমরা সাধারণত ধনেপাতা বিভিন্ন তরকারির সাথে খেতে পছন্দ করে থাকি তাই আপনি এটা পানিতে ফুটিয়ে সে পানিতে যদি কুলকুচি করতে পারেন এটা আপনার মুখের ভিতরে প্রদাহ বা ব্যথা দূর হয়ে যাবে এবং যদি খাওয়া হয়ে থাকে তাহলে সেটাও শুকাতে কাজ করবে তাই দিনে কয়েক বার বার ব্যবহার করতে পারেন এটা আপনার উপকার পাবেন
ঘিঃ অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা আপনার খাবারের সাথে ঘি খেতে পারেন এবং রাতে ঘুমানোর সময় আক্রান্ত স্থানে হালকা লাগিয়ে দিবেন দেখবেন মুখের ঘা দ্রুত সেরে যাবে
উপরোক্ত এই প্রাকৃতিক উপাদান এবং কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এগুলোর পাশাপাশি আপনি অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ে মুখের পরিচর্যা করার জন্য অবশ্যই একজন চিকিৎসককে দেখাবেন এবং প্রতিদিন সকালে এবং রাত্রিতে ব্রাশ করবেন বাসটা অবশ্যই নরম হওয়া লাগবে এবং তিন মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করার লাগবে এছাড়া ডায়াবেটিস রিত্র কো কিডনির সমস্যা দিয়ে থাকে তাহলে সেটার চিকিৎসা নেওয়া লাগবে
তাছাড়া আপনার খাদ্যের পরিবর্তন করতে হবে সেই সকল খাবারগুলি খেতে হবে যার মধ্যে আন্টি এক্সিডেন্ট অর্থাৎ ভিটামিন এ সি ই এই ধরনের খাবার গুলো খাওয়া লাগবে যেমন শাকসবজি রঙিন সবুজ রঙ্গিন ফল পেতে আম গাজর লেবু পেয়ারা কাঠবাদাম রঙিন ক্যাপসিকাম এই ধরনের খাবারগুলো এছাড়া আপনার ভিটামিন১২ আয়রন ফলিক এসিড এ ধরনের খাবারগুলোকে আমি ছাড়া প্রচুর শাক কাঁচকলা টক দই দই চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া যেতে পারে
তাছাড়া আপনি অতিরিক্ত নোনতা ঝাল যুক্ত খাবার গুলো পরিহার করবেন যেন এটা কিন্তু এলার্জির সম্ভাবনা দেখা দেয় তাই যা কফি চা কফি অ্যালকোহল পান বর্জন করা লাগবে
একটা বিষয় আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে সেটা হল মুখের দিকে যা হয় সেটা নিয়ে কখনোই বসে থাকবেন না অবশ্যই গুরুত্ব এই বিষয়গুলো প্রাকৃতিক চিকিৎসা করার পাশাপাশি একজন রেজিস্টার দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া লাগবে এছাড়া বিভিন্ন জল সার্জন রয়েছে তাদের নিকট আপনি যেতে পারেন সবচেয়ে বেশি যদি হয়ে থাকে বা দুই সপ্তাহ দিনের বেশি দেরি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই মাংসের পিসি পরীক্ষা করা লাগবে পালসার এর প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট রোগের সঠিক চিকিৎসা করলে ভালো হয়ে যাবে
মুখে ঘা হলে কিছু নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারেঃ ব্রাশ করার পরে অবশ্যই দিয়ে মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে কেননা এর মাঝে ব্যাকটেরিয়া নির্মল হবে এবং মুখের হাইজিন গলায় স্বাস্থ্যবিধি বজায় থাকবে
লেবু আনারস কমলা টমেটো এসিডিটিক যে খাদ্যগুলো হয়ে থাকে সেগুলো না খাওয়ার চেষ্টা করবেন এছাড়াও কলা আম পেয়ারা ইটালি খাওয়া যেতে পারে
যে খাবার গুলো অত্যন্ত শক্ত সেগুলো না খাওয়াই ভালো এতে মুখের ক্ষতস্থানগুলো আরো বৃদ্ধি পাবে এছাড়াও ঠান্ডা তরফ জাতীয় খাবার গুলো খাবেন এবং পান করতে পারেন যেমন এক টুকরো মুখে নিয়ে তোর সাথে যেতে পারে
গরম পানির মধ্যে লবণ এবং বেকিং সোডা নিষেতে পারে নিতে কুলি করা যেতে পারে করতে পারেন
যে সকল খাবার খাবেন নাঃ যেমন অতিরিক্ত মসলা জাতীয় খাবার বিভিন্ন ধরনের চিপস এছাড়াও এমন কিছু খাবার খাবে না যেগুলো খেলে আপনার আলসারের জ্বালাতন এবং প্রদাহ বৃদ্ধি পাবে তাছাড়া যেমন কমলার লেবু এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রব জাতীয় যে ফলগুলো রয়েছে সেটি বাড়িয়ে দিতে পারে এসিডিটি বাড়িয়ে দিতে পারে সেজন্য এগুলো থেকে বিরত থাকাই ভালো
তাছাড়া আপনি কফি বাজা এই ধরনের খাবারগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকবে এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ড্রেস কোমল পানীয় বা ড্রিংকস জাতীয় খাবার গুলো পরিহার করতে হবে এতে আপনার আনসারের ভার সম্ভাবনা বেশি এবং মুখে দেওয়া হয়ে যাবে এছাড়াও নেশা দ্রব্য জাতীয় খাবার গুলো আলকোহল জাতীয় খাবার গুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন মুখের আলসার আরও বৃদ্ধি পাবে এবং টিসুগুলো শুকিয়ে যাবে মারাও যেতে পারে এতে নিরাময় করা নিরাময় করা কঠিন হয়ে যাবে
এম আর মাহমুদ ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url